প্রাইজবন্ড ড্র ফলাফল ও নম্বর মিলান
১০০ টাকা মূল্যমানের বাংলাদেশ প্রাইজবন্ডের ড্র ফলাফলে আপনার ৭ অঙ্কের বন্ড নম্বর মিলিয়ে দেখুন — লগইন বা সিরিজ ছাড়াই। ড্রে ওঠা নম্বর সব সিরিজের জন্য প্রযোজ্য, তাই শুধু নম্বর মিললেই বন্ডটি বিজয়ী।
সংক্ষেপে: প্রতি সিরিজে প্রতি ড্রে মোট ৪৬টি পুরস্কার (১ম ৳৬,০০,০০০ থেকে ৫ম ৳১০,০০০), পুরস্কারের টাকা থেকে ২৫% উৎসে কর কাটা হয়, আর ড্র হয় বছরে চারবার — জানুয়ারি, এপ্রিল, জুলাই ও অক্টোবরের শেষ দিনে। পরবর্তী ড্র আনুমানিক ৩১ জানুয়ারি ২০২৭ (রবিবার)।
সর্বশেষ যোগ করা ফলাফল: ১২৫তম ড্র, ১ নভেম্বর ২০২৬।
সর্বশেষ ১২৫তম প্রাইজবন্ড ড্রের ফলাফল (১ নভেম্বর ২০২৬)
১ নভেম্বর ২০২৬ তারিখের ১২৫তম প্রাইজবন্ড ড্রে ১ম পুরস্কার (৳৬,০০,০০০) পেয়েছে ০৯২৩২৮৩ নম্বর এবং ২য় পুরস্কার (৳৩,২৫,০০০) পেয়েছে ০৮৪২৫১১ নম্বর।
নিচের তালিকায় এই ড্রের সব বিজয়ী নম্বর পুরস্কার অনুযায়ী দেওয়া হলো। এগুলো সব সিরিজের জন্য প্রযোজ্য; উৎসে কর ২৫%। দাবির আগে অফিসিয়াল ফলাফলের সাথে মিলিয়ে নিন।
| পুরস্কার | পুরস্কার মূল্য | বিজয়ী নম্বর (সব সিরিজে প্রযোজ্য) |
|---|---|---|
| ১ম পুরস্কার | ৳৬,০০,০০০ | ০৯২৩২৮৩ |
| ২য় পুরস্কার | ৳৩,২৫,০০০ | ০৮৪২৫১১ |
| ৩য় পুরস্কার | ৳১,০০,০০০ | ০৮৭৩৬১১, ০৮৯১৯৫৬ |
| ৪র্থ পুরস্কার | ৳৫০,০০০ | ০৪৫৮৬৫৮, ০৯২৪৬৯৫ |
| ৫ম পুরস্কার | ৳১০,০০০ | ০০২১৩৫৫, ০০৩৪৪৫১, ০০৪৫৩১৩, ০০৪৮৫০৩, ০০৯১৯২৮, ০০৯৬১২১, ০১৪৬৮৯৩, ০১৬০০৮৬, ০১৬৪১৫৯, ০১৭০৪৮৪, ০২৩২২৫২, ০২৩৮৫৭০, ০২৪৫৩১১, ০২৭১৬৯৭, ০২৮৪৪২১, ০৩০৩০০৮, ০৩৪৮১৮৭, ০৩৫৯৭৮৭, ০৪৫৮৫০৫, ০৫৪০৮৭১, ০৫৭৮০৮৮, ০৫৮২৯৫৬, ০৫৯৭৩৭৮, ০৬১৩৬০২, ০৬২৪০১৭, ০৬৩৫৬৫০, ০৬৪১১৯২, ০৬৫৮৫০২, ০৬৬০৭২৩, ০৬৯৭১৭৭, ০৭০০৩৬১, ০৭২০৩৩৯, ০৭২৯৪০০, ০৭৩১৬৬৬, ০৭৬৮৭৯৫, ০৭৮৪৪৩৫, ০৮৬৪০৭৮, ০৮৬৬৪৯১, ০৮৮৪৬২৩, ০৯০৪৭৯৫ |
সাম্প্রতিক প্রাইজবন্ড ড্র
| ড্র | তারিখ | উৎসে কর |
|---|---|---|
| ১২৫তম ড্র | ১ নভেম্বর ২০২৬ | ২৫% |
| ১২৪তম ড্র | ২ আগস্ট ২০২৬ | ২৫% |
| ১২৩তম ড্র | ৩০ এপ্রিল ২০২৬ | ২০% |
| ১২২তম ড্র | ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২০% |
প্রাইজবন্ডের পুরস্কার তালিকা — কর কেটে কত টাকা পাবেন?
প্রতিটি ড্রে প্রতি সিরিজের জন্য মোট ৪৬টি পুরস্কার দেওয়া হয়; সবগুলোর মোট মূল্য ৳১৬,২৫,০০০। পুরস্কারের টাকা থেকে আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ১১৮ অনুযায়ী ২৫% হারে উৎসে কর কাটা হয়, তাই হাতে পাওয়া অঙ্ক কম হয়। কর-হার সরকার বদলাতে পারে; নিচের “কর কেটে প্রাপ্য” ঘরটি বর্তমান ২৫% হার ধরে হিসাব করা (প্রতিটি ড্রের হার ড্র-তালিকায় আলাদা দেখানো হয়)।
| পুরস্কার | পুরস্কার মূল্য | প্রতি সিরিজে নম্বর | ২৫% কর কেটে প্রাপ্য |
|---|---|---|---|
| ১ম পুরস্কার | ৳৬,০০,০০০ | ১টি | ৳৪,৫০,০০০ |
| ২য় পুরস্কার | ৳৩,২৫,০০০ | ১টি | ৳২,৪৩,৭৫০ |
| ৩য় পুরস্কার | ৳১,০০,০০০ | ২টি | ৳৭৫,০০০ |
| ৪র্থ পুরস্কার | ৳৫০,০০০ | ২টি | ৳৩৭,৫০০ |
| ৫ম পুরস্কার | ৳১০,০০০ | ৪০টি | ৳৭,৫০০ |
| মোট | ৳১৬,২৫,০০০ | ৪৬টি | ৳১২,১৮,৭৫০ |
প্রাইজবন্ড ড্র কবে হয়? — পরবর্তী ড্রের সম্ভাব্য তারিখ
বাংলাদেশে প্রাইজবন্ডের ড্র হয় বছরে চারবার — প্রতি বছর ৩১ জানুয়ারি, ৩০ এপ্রিল, ৩১ জুলাই ও ৩১ অক্টোবর। ওই দিন সাপ্তাহিক বা সরকারি ছুটি থাকলে ড্র পরবর্তী কর্মদিবসে সরে যায় — যেমন ২০২৬ সালে জুলাইয়ের ড্র হয়েছে ২ আগস্ট এবং অক্টোবরের ড্র ১ নভেম্বর। ড্র হয় ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে, “সিঙ্গেল কমন ড্র” পদ্ধতিতে; তারিখ ও সময় অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ আগে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়।
নিচের তারিখগুলো উপরের নিয়মে হিসাব করা আনুমানিক তারিখ; চূড়ান্ত তারিখের জন্য অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি দেখুন।
| ড্র | আনুমানিক তারিখ | বার |
|---|---|---|
| জানুয়ারি ২০২৭-এর ড্র (১২৬তম) | ৩১ জানুয়ারি ২০২৭ | রবিবার |
| এপ্রিল ২০২৭-এর ড্র (১২৭তম) | ২ মে ২০২৭ | রবিবার |
| জুলাই ২০২৭-এর ড্র (১২৮তম) | ১ আগস্ট ২০২৭ | রবিবার |
| অক্টোবর ২০২৭-এর ড্র (১২৯তম) | ৩১ অক্টোবর ২০২৭ | রবিবার |
প্রাইজবন্ডের নম্বর কীভাবে মিলাবেন?
জমাখরচের চেকারে লগইন ছাড়াই যেকোনো ৭ অঙ্কের বন্ড নম্বর এখানে যোগ করা সব ড্রের ফলাফলের সাথে মিলিয়ে দেখা যায়। ধাপগুলো:
- বন্ডে ছাপা ৭ অঙ্কের নম্বরটি দেখুন (যেমন ০৯২৩২৮৩)। সিরিজ এখানে লাগবে না, কারণ ড্রে ওঠা নম্বর সব সিরিজের জন্য প্রযোজ্য।
- পেইজের উপরের চেকারে নম্বরটি লিখুন। বাংলা বা ইংরেজি যেকোনো অঙ্কে লেখা যায়; শুরুর শূন্য বাদ পড়লেও নিজে থেকে ৭ অঙ্কে পূর্ণ হয়।
- “মিলিয়ে দেখুন” চাপুন। পুরস্কার মিললে ড্র নম্বর, পুরস্কারের ধরন ও কর কাটার পর আনুমানিক প্রাপ্য টাকা দেখাবে; না মিললে সেটিও জানাবে।
- পুরস্কার দাবির আগে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল পোর্টাল (prizebond.ird.gov.bd) বা ড্রের পরদিন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত তালিকার সাথে নম্বর মিলিয়ে নিন।
- একাধিক বন্ড থাকলে প্রো প্ল্যানে নম্বরগুলো সংরক্ষণ করুন — নতুন ড্রের ফলাফল যোগ হলে নিজে থেকেই মিলে যাবে, প্রতিবার আলাদা করে লিখতে হবে না।
প্রাইজবন্ডের পুরস্কার দাবি করার নিয়ম
পুরস্কার জিতলে মূল বন্ডসহ নির্ধারিত আবেদন ফরম পূরণ করে তফসিলি ব্যাংকের নির্ধারিত শাখায় জমা দিতে হয়। কোন শাখায় এই সেবা পাওয়া যায় এবং কী কাগজপত্র লাগবে, তা যাওয়ার আগে ব্যাংক থেকে জেনে নেওয়া ভালো। আবেদন ঠিক থাকলে পুরস্কারের অর্থ সাধারণত সর্বোচ্চ দুই মাসের মধ্যে পরিশোধ করা হয়।
ফলাফল প্রকাশের (ড্রের) পর দুই বছরের মধ্যে পুরস্কার দাবি করতে হয়। এই সময়ের মধ্যে দাবি না করলে পুরস্কারের অর্থ তামাদি হয়ে সরকারি কোষাগারে ফেরত যায় — তাই পুরনো বন্ডও নিয়মিত মিলিয়ে দেখা জরুরি।
প্রাইজবন্ড কোথায় কিনবেন ও ভাঙাবেন? সুদ আছে কি?
বাংলাদেশে বর্তমানে শুধু ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড চালু আছে (১৯৭৪ সালে চালু হওয়া প্রাইজবন্ডের মূল্যমান ১৯৯৫ সালে ১০০ টাকা করা হয়)। বন্ড কেনা-ভাঙানো মূলত তফসিলি ব্যাংকের নির্ধারিত শাখায় হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে নিজের কাউন্টারে প্রাইজবন্ড বিক্রি বন্ধের সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল; ডাকঘরে বিক্রির বর্তমান অবস্থা স্থানীয়ভাবে জেনে নিন।
প্রাইজবন্ডে নিয়মিত সুদ বা মুনাফা নেই। ড্রে পুরস্কার না পেলেও বন্ড ভাঙিয়ে (ফেরত দিয়ে) মূল ১০০ টাকা ফেরত পাওয়া যায়, তবে মুদ্রাস্ফীতির কারণে সময়ের সাথে টাকার ক্রয়ক্ষমতা কমতে পারে। নিয়মিত মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়ের সাথে তুলনা করতে চাইলে সঞ্চয়পত্র ক্যালকুলেটর ব্যবহার করুন।
প্রাইজবন্ড সম্পর্কে সচরাচর জিজ্ঞাসা
প্রাইজবন্ডের ড্র কবে হয়?
বছরে চারবার — প্রতি বছর ৩১ জানুয়ারি, ৩০ এপ্রিল, ৩১ জুলাই ও ৩১ অক্টোবর। ওই দিন সাপ্তাহিক বা সরকারি ছুটি হলে ড্র পরবর্তী কর্মদিবসে হয়; যেমন ২০২৬ সালে জুলাইয়ের ড্র হয়েছে ২ আগস্ট এবং অক্টোবরের ড্র ১ নভেম্বর।
পরবর্তী প্রাইজবন্ড ড্র কবে?
পরবর্তী ড্র আনুমানিক ৩১ জানুয়ারি ২০২৭ (রবিবার), এটি হবে ১২৬তম ড্র। চূড়ান্ত তারিখ অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ড্রের আগে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়।
প্রাইজবন্ডের ১ম পুরস্কার কত টাকা? কর কেটে কত পাওয়া যায়?
১ম পুরস্কার ৳৬,০০,০০০। ২৫% উৎসে কর কাটার পর হাতে পাওয়া যায় ৳৪,৫০,০০০। এর সাথে বন্ড ভাঙালে মূল ১০০ টাকাও ফেরত পাওয়া যায়। ২য় থেকে ৫ম পুরস্কার যথাক্রমে ৳৩,২৫,০০০, ৳১,০০,০০০, ৳৫০,০০০ ও ৳১০,০০০।
প্রতি ড্রে কয়টি পুরস্কার থাকে?
প্রতি সিরিজে প্রতি ড্রে মোট ৪৬টি পুরস্কার: ১ম ১টি, ২য় ১টি, ৩য় ২টি, ৪র্থ ২টি ও ৫ম ৪০টি। সবগুলোর মোট মূল্য ৳১৬,২৫,০০০।
সিরিজ ছাড়া শুধু নম্বর দিয়ে কি ফলাফল মেলানো যায়?
হ্যাঁ। প্রাইজবন্ডের ড্র “সিঙ্গেল কমন ড্র” পদ্ধতিতে হয় — অর্থাৎ ড্রে ওঠা ৭ অঙ্কের নম্বর সব সিরিজের জন্য প্রযোজ্য। তাই নম্বর মিললেই, সিরিজ যেটাই হোক, বন্ডটি বিজয়ী।
প্রাইজবন্ডের ফলাফল অনলাইনে কীভাবে দেখব?
এই পেইজের চেকারে বন্ড নম্বর লিখে সব ড্রে মিলিয়ে দেখতে পারেন — লগইন লাগে না। অফিসিয়াল ফলাফল অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রাইজবন্ড পোর্টাল (prizebond.ird.gov.bd) এবং ড্রের পরদিন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়; পুরস্কার দাবির আগে অফিসিয়াল সূত্রে নিশ্চিত হয়ে নিন।
প্রাইজবন্ডের পুরস্কার কত দিনের মধ্যে দাবি করতে হবে?
ফলাফল প্রকাশের (ড্রের) পর দুই বছরের মধ্যে। এর মধ্যে দাবি না করলে পুরস্কারের অর্থ তামাদি হয়ে সরকারি কোষাগারে ফেরত যায়। আবেদন ও মূল বন্ড জমা দেওয়ার পর সাধারণত সর্বোচ্চ দুই মাসের মধ্যে অর্থ পরিশোধ করা হয়।
প্রাইজবন্ডের পুরস্কারে কত কর কাটা হয়?
আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ১১৮ অনুযায়ী পুরস্কারের অর্থ থেকে বর্তমানে ২৫% হারে উৎসে কর কাটা হয়। যেমন ৳১০,০০০-এর ৫ম পুরস্কারে কর ৳২,৫০০, হাতে পাওয়া যায় ৳৭,৫০০। কর-হার সরকার বদলাতে পারে।
প্রাইজবন্ড কোথায় কিনব ও ভাঙাব?
মূলত তফসিলি ব্যাংকের নির্ধারিত শাখা থেকে। বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে নিজের কাউন্টারে প্রাইজবন্ড বিক্রি বন্ধের সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল, তাই কোন শাখায় কেনা-ভাঙানোর সেবা চালু আছে তা আগে জেনে নিন। বন্ড ভাঙালে মূল ১০০ টাকা ফেরত পাওয়া যায়।
প্রাইজবন্ডে কি সুদ বা মুনাফা আছে? পুরস্কার না পেলে কী হয়?
না, প্রাইজবন্ডে নিয়মিত সুদ বা মুনাফা নেই। পুরস্কার না পেলেও মূল ১০০ টাকা ফেরতযোগ্য। নিয়মিত মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়ের সাথে তুলনা করতে সঞ্চয়পত্র ক্যালকুলেটর দেখতে পারেন।
বন্ডের নম্বর বাংলা অঙ্কে বা শুরুর শূন্য ছাড়া লিখলে কি মিলবে?
হ্যাঁ। চেকারে বাংলা ও ইংরেজি দুই ধরনের অঙ্কই চলে। ৭ অঙ্কের কম লিখলে বাম দিকে শূন্য বসিয়ে নিজে থেকে ৭ অঙ্কে পূর্ণ করা হয় (যেমন ৯২৩২৮৩ → ০৯২৩২৮৩)।
জমাখরচ কি সরকারি ওয়েবসাইট? এখানকার ফলাফল কি অফিসিয়াল?
না। জমাখরচ একটি স্বাধীন ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম — সরকার, অর্থ মন্ত্রণালয় বা বাংলাদেশ ব্যাংকের অংশ নয়। এখানকার ফলাফল অফিসিয়াল ঘোষণা থেকে যোগ করা হয়; পুরস্কার দাবির আগে অবশ্যই অফিসিয়াল ফলাফলের সাথে মিলিয়ে নিন।